বীথিকা

          না কহিয়া কথা

কখন যে আস কাছে, দাও ছিন্ন করি

          মোর অস্পষ্টতা।

তখন বুঝিতে পারি, আছি আমি একান্তই আছি

মহাকালদেবতার অন্তরের অতি কাছাকাছি

          মহেন্দ্রমন্দিরে ;

জাগ্রত জীবনলক্ষ্মী পরায় আপন মাল্যগাছি

          উন্নমিত শিরে।

 

তখনই বুঝিতে পারি, বিশ্বের মহিমা

উচ্ছ্বসিয়া উঠি

রাখিল সত্তায় মোর রচি নিজ সীমা

          আপন দেউটি।

সৃষ্টির প্রাঙ্গণতলে চেতনার দীপশ্রেণী - মাঝে

সে দীপে জ্বলেছে শিখা উৎসবের ঘোষণার কাজে ;

          সেই তো বা খা নে,

অনির্বচনীয় প্রেম অন্তহীন বিস্ময়ে বিরাজে

          দেহে মনে প্রাণে।