১১

পলাশ আনন্দমূর্তি জীবনের ফাগুনদিনের,

আজ এই সম্মানহীনের

দরিদ্র বেলায় দিলে দেখা

যেথা আমি সাথিহীন একা

উৎসবের প্রাঙ্গণ-বাহিরে

শস্যহীন মরুময় তীরে।

যেখানে এ ধরণীর প্রফুল্ল প্রাণের কুঞ্জ হতে

অনাদৃত দিন মোর নিরুদ্দেশ স্রোতে

ছিন্নবৃন্ত চলিয়াছে ভেসে

বসন্তের শেষে।

তবুও তো কৃপণতা নাই তব দানে,

যৌবনের পূর্ণ মূল্য দিলে মোর দীপ্তিহীন প্রাণে,

অদৃষ্টের অবজ্ঞারে কর নি স্বীকার —

ঘুচাইলে অবসাদ তার ;

জানাইলে চিত্তে মোর লভি অনুক্ষণ

সুন্দরের অভ্যর্থনা, নবীনের আসে নিমন্ত্রণ।